বেঙ্গল পাবলিকেশন্‌‌স

সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি-সাধক

Price
325 BDT

Published on
January 2013

ISBN
9789849047001

Category


গত পঞ্চাশ বছরে বাংলা সাহিত্য ও শিল্পের নানা দিকে পট পরিবর্তনকারী নানা ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন আনিসুজ্জামান, সংস্পর্শে এসেছেন এমন পরিবর্তনের কলাকুশলীদের, তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন, প্রভাবিত করেছেন । ‘সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি সাধক’ বইটি লেখকের সেই সব অভিজ্ঞতারই দলিল। জীবনের নানা সময়ে লেখা ২১টি প্রবন্ধ  সংকলিত হয়েছে এই বইটিতে।

‘সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি সাধক’ বইটির মূলত তিনটি ভাগ। প্রথম অংশে বাঙালির সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন আনিসুজ্জামান, যার মধ্যে আছে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়, ভাষাভিত্তিক জাতীয়তা, বাঙালির ইতিহাসে গণিত ও প্রযুক্তির বিপরীতে মরমিবাদ ও অধিবিদ্যার বিকাশ ইত্যাদি । এছাড়া এসেছে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সঙ্গে সহাবস্থান বিষয়ক তাঁর ভাবনা, প্রমিত বাংলা উপভাষা, বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দির ভেতরে হাল আমলের মিশ্রণ ইত্যাদি বিতর্কে তাঁর অবস্থান। বইয়ের দ্বিতীয় অংশে বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদান রেখে যাওয়া দশ ব্যক্তির ওপর নিজের অভিজ্ঞতা, ভাবনা ও বিশ্লেষণ লিপিবদ্ধ করেছেন আনিসুজ্জামান। এঁদের মধ্যে আছেন রবীন্দ্রনাথ, জসিমউদদীন, অন্নদাশঙ্কর রায়, হুমায়ূন আহমেদ প্রমুখ।  তৃতীয় ভাগে এসেছে কামরুল হাসান, মুর্তজা বশীর, নিতুন কুন্ডুসহ বাংলাদেশের ছয়জন কৃতী চিত্রশিল্পীর কথা। বইতে লেখক আনিসুজ্জামানের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব তথ্যের বিপুলতার সঙ্গে ভাষার সাবলীলতার মিতালি সৃষ্টিতে।  ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান এবং শিল্পের নানা দিক তাঁর প্রবন্ধ গ্রন্থে এসেছে ঠিকই, তবে তা পড়ার এবং বোঝার জন্য পাঠককে বেগ পেতে হয় না মোটেই, বরং প্রাবন্ধিকের বৈঠকি চালের লেখায় অবলীলায় আত্মস্থ করা যায় অতি সহজে।

বাংলা সাহিত্য, সমালোচনা শিল্পের অবিচ্ছেদ্য নাম আনিসুজ্জামানের জন্ম  ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে । বর্তমানে প্রফেসর ইমেরিটাস হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যুক্ত আছেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে গবেষণাকর্মের মাধ্যমে নিজেকে অমর করেছেন তিনি। এছাড়া তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গবেষণাকর্মের মধ্যে আছে  ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য’ (১৯৬৪), ‘কাল নিরবধি’ (২০০৩), ‘মুসলিম বাংলার সাময়িকপত্র’ (১৯৬৯), ‘মুক্তিযুদ্ধ এবং তারপর’ (১৯৯৮), ‘আঠারো শতকের বাংলা চিঠি’ (১৯৮৩), ‘মুনীর চৌধুরী’ (১৯৭৫), ‘স্বরূপের সন্ধানে’ (১৯৭৬), ‘পূর্বগামী’ (২০০১)। সাহিত্যে অবদানের জন্য ভারতের বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’-এ ভূষিত হয়েছেন তিনি।



Buy this book from:



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *